দৈনিক ধর্মপাশার খবর

জাতীয়

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয় বাংলাদেশে

সংখ্যার দিক থেকে পবিত্র ঈদুল আযহায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয় বাংলাদেশে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও গবাদিপশুর বাজার বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গেছে। তথ্যমতে, প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটিরও বেশি পশু কোরবানি করা হয়ে থাকে, যা বিশ্বব্যাপী মোট কোরবানির প্রায় ১০ শতাংশ।সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি, পশুসম্পদ খাতের অভূতপূর্ব উন্নয়ন এবং ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবমুখর পরিবেশের কারণে কোরবানির এই সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। দেশের প্রায় সম্পূর্ণ চাহিদাই পূরণ হচ্ছে দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়ে।শীর্ষে থাকা ৫ দেশের চিত্র:বাংলাদেশ: বার্ষিক কোরবানির সংখ্যা ১ কোটির বেশি (মূলত গরু, ছাগল ও মহিষ)।পাকিস্তান: দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এই দেশে বার্ষিক কোরবানির সংখ্যা প্রায় ৭০ থেকে ৯০ লাখ।ইন্দোনেশিয়া: বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার এই দেশেও বিপুল পরিমাণ গবাদিপশু কোরবানি দেওয়া হয়।ভারত: বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশটিতে মূলত ছাগল, ভেড়া ও মহিষ কোরবানি করা হয়।সৌদি আরব ও তুরস্ক: হজের মৌসুমে সৌদি আরবে এবং ইউরোপ-এশিয়ার সংযোগস্থল তুরস্কেও প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ লাখ পশু কোরবানি হয়।অর্থনীতিবিদদের মতে, কোরবানির এই বিশাল আয়োজনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, যা দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয় বাংলাদেশে