সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সরকারি প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করেই বরাদ্দের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বেখইজুড়া এলাকার মৌলা মিয়ার জমি থেকে রুস্তম আলীর জমি পর্যন্ত আসশো বিলের (গোপাট) রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে উপজেলা কাবিখা-কাবিটা গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কমিটির মাধ্যমে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বরাদ্দকৃত অর্থের বিপরীতে নামমাত্র ২০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করে সম্পূর্ণ বিল উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে গ্রামবাসীর পক্ষে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সময়ে পাইকুরাটি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে স্থানীয় গ্রামবাসী ও ওয়ার্ডবাসীদের অবহিত করা হয়নি বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আমি শতভাগ কাজ সম্পন্ন করেই বিল উত্তোলন করেছি। তারা আমার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায় বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সরকারি প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ না করেই বরাদ্দের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বেখইজুড়া এলাকার মৌলা মিয়ার জমি থেকে রুস্তম আলীর জমি পর্যন্ত আসশো বিলের (গোপাট) রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে উপজেলা কাবিখা-কাবিটা গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কমিটির মাধ্যমে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বরাদ্দকৃত অর্থের বিপরীতে নামমাত্র ২০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করে সম্পূর্ণ বিল উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে গ্রামবাসীর পক্ষে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সময়ে পাইকুরাটি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে স্থানীয় গ্রামবাসী ও ওয়ার্ডবাসীদের অবহিত করা হয়নি বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আমি শতভাগ কাজ সম্পন্ন করেই বিল উত্তোলন করেছি। তারা আমার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায় বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন