গত ১৬ জুলাই সুনামগঞ্জের তাহিরপুর-মধ্যনগর নৌপথে এক স্পিডবোট চালকের ওপর নির্যাতন এবং এর জেরে অনির্দিষ্টকালের স্পিডবোট ধর্মঘটের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক এম শহীদ।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁর নাম ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
প্রতিবাদলিপিতে এম শহীদ বলেন, ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় মধ্যনগর উপজেলা প্রশাসনিক ভবন-সংলগ্ন এলাকায় একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক স্পিডবোট চালকের সঙ্গে সাধারণ কথা-কাটাকাটি হলেও সেখানে কোনো ধরনের মারধর, নির্যাতন, গালিগালাজ বা অশালীন আচরণের ঘটনা ঘটেনি। এমনকি ওই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততাও নেই বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, শ্রমজীবী স্পিডবোট চালকদের সঙ্গে তাঁর কোনো বিরোধ নেই এবং কাউকে নির্যাতন বা মারধরের প্রশ্নই ওঠে না। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সব সময় কাজ করে আসছেন বলেও উল্লেখ করেন।
এম শহীদের দাবি, ঘটনার সময় মধ্যনগর খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের দুইজন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অসত্যতা প্রমাণিত হবে।
একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে এম শহীদ বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নৈতিক দায়িত্ব।
-এম শহীদ
বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক সুনামগঞ্জ জেলা যুবদল।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
গত ১৬ জুলাই সুনামগঞ্জের তাহিরপুর-মধ্যনগর নৌপথে এক স্পিডবোট চালকের ওপর নির্যাতন এবং এর জেরে অনির্দিষ্টকালের স্পিডবোট ধর্মঘটের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক এম শহীদ।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁর নাম ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
প্রতিবাদলিপিতে এম শহীদ বলেন, ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় মধ্যনগর উপজেলা প্রশাসনিক ভবন-সংলগ্ন এলাকায় একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক স্পিডবোট চালকের সঙ্গে সাধারণ কথা-কাটাকাটি হলেও সেখানে কোনো ধরনের মারধর, নির্যাতন, গালিগালাজ বা অশালীন আচরণের ঘটনা ঘটেনি। এমনকি ওই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততাও নেই বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, শ্রমজীবী স্পিডবোট চালকদের সঙ্গে তাঁর কোনো বিরোধ নেই এবং কাউকে নির্যাতন বা মারধরের প্রশ্নই ওঠে না। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সব সময় কাজ করে আসছেন বলেও উল্লেখ করেন।
এম শহীদের দাবি, ঘটনার সময় মধ্যনগর খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের দুইজন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অসত্যতা প্রমাণিত হবে।
একই সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে এম শহীদ বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নৈতিক দায়িত্ব।
-এম শহীদ
বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক সুনামগঞ্জ জেলা যুবদল।

আপনার মতামত লিখুন