সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা উত্তরপাড়া গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে পূর্ণ রাণী দাস (১১) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
নিহত পূর্ণ রাণী দাস ধর্মপাশা ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি একই গ্রামের স্বপন চন্দ্র দাসের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পূর্ণ রাণী দাস ২-৩ জন সহপাঠীর সঙ্গে উত্তরপাড়া গ্রামের উজ্জ্বল মেম্বারের বাড়ির পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে পাকা ঘাটের সিঁড়ি দিয়ে পানিতে নামার সময় তার পা পিছলে যায় এবং সে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়।
ঘটনাটি দেখে সঙ্গে থাকা শিশুরা দৌড়ে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন পুকুরে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খবর পেয়ে ধর্মপাশা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়।
দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে পূর্ণ রাণী দাসকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা উত্তরপাড়া গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে পূর্ণ রাণী দাস (১১) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
নিহত পূর্ণ রাণী দাস ধর্মপাশা ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি একই গ্রামের স্বপন চন্দ্র দাসের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পূর্ণ রাণী দাস ২-৩ জন সহপাঠীর সঙ্গে উত্তরপাড়া গ্রামের উজ্জ্বল মেম্বারের বাড়ির পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে পাকা ঘাটের সিঁড়ি দিয়ে পানিতে নামার সময় তার পা পিছলে যায় এবং সে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়।
ঘটনাটি দেখে সঙ্গে থাকা শিশুরা দৌড়ে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন পুকুরে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খবর পেয়ে ধর্মপাশা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়।
দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে পূর্ণ রাণী দাসকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন