সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মীর কাসিমের ছোট ভাই হাবিব উল্লাহ প্রভাব খাটিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের জায়গায় স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুহেল মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম এবং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোস্তাক চৌধুরী।
বক্তারা অবিলম্বে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ, ইউনিয়ন পরিষদের দাবি করা জায়গার অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পরে মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিব উল্লাহ বলেন, “আমি আমার নিজস্ব জায়গায় ঘর নির্মাণ করছি। এটি ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা নয়। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিরোধপূর্ণ জায়গাটির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মীর কাসিমের ছোট ভাই হাবিব উল্লাহ প্রভাব খাটিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের জায়গায় স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুহেল মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম এবং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোস্তাক চৌধুরী।
বক্তারা অবিলম্বে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ, ইউনিয়ন পরিষদের দাবি করা জায়গার অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পরে মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিব উল্লাহ বলেন, “আমি আমার নিজস্ব জায়গায় ঘর নির্মাণ করছি। এটি ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা নয়। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিরোধপূর্ণ জায়গাটির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন