দৈনিক ধর্মপাশার খবর

বালিজুড়ি ট্রাজেডির ১৬ বছর আজ নিরাপদ সড়ক যোগাযোগের দাবিতে হাওরবাসীর আক্ষেপ


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

বালিজুড়ি ট্রাজেডির ১৬ বছর আজ নিরাপদ সড়ক যোগাযোগের দাবিতে হাওরবাসীর আক্ষেপ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক নৌদুর্ঘটনা ‘বালিজুড়ি ট্রাজেডি’র ১৬ বছর পূর্তি আজ (সোমবার)। ২০১০ সালের ৮ জুন শৈলচাপড়া হাওরে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে যাত্রীবাহী একটি ট্রলার ডুবে গেলে ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। দীর্ঘ ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে সেই শোক আজও অম্লান।

জানা যায়, ২০১০ সালের ৮ জুন সকালে উপজেলার বালিজুড়ি গ্রাম থেকে বাদশাগঞ্জের উদ্দেশ্যে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার রওনা দেয়। ট্রলারটিতে বেশ কয়েকজন স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সী যাত্রী ছিলেন। ট্রলারটি সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী শৈলচাপড়া হাওরের মাঝামাঝি পৌঁছালে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে। প্রবল বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

দুর্ঘটনায় বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বাদশাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থী, ৩ নারী ও ৫ শিশুসহ মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুরো উপজেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ট্রাজেডির ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও বালিজুড়ি গ্রামের সঙ্গে নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বর্ষা মৌসুমে এখনও ঝুঁকি নিয়ে নৌপথে চলাচল করতে হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে দীর্ঘ পথ হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। এলাকাবাসীর দাবি, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত নিরাপদ ও স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

স্থানীয়দের মতে, বালিজুড়ি ট্রাজেডি শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ সংকটের নির্মম বাস্তবতার প্রতীক। তাই নিহতদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক ধর্মপাশার খবর

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


বালিজুড়ি ট্রাজেডির ১৬ বছর আজ নিরাপদ সড়ক যোগাযোগের দাবিতে হাওরবাসীর আক্ষেপ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক নৌদুর্ঘটনা ‘বালিজুড়ি ট্রাজেডি’র ১৬ বছর পূর্তি আজ (সোমবার)। ২০১০ সালের ৮ জুন শৈলচাপড়া হাওরে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে যাত্রীবাহী একটি ট্রলার ডুবে গেলে ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। দীর্ঘ ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে সেই শোক আজও অম্লান।

জানা যায়, ২০১০ সালের ৮ জুন সকালে উপজেলার বালিজুড়ি গ্রাম থেকে বাদশাগঞ্জের উদ্দেশ্যে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার রওনা দেয়। ট্রলারটিতে বেশ কয়েকজন স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সী যাত্রী ছিলেন। ট্রলারটি সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী শৈলচাপড়া হাওরের মাঝামাঝি পৌঁছালে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে। প্রবল বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

দুর্ঘটনায় বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বাদশাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থী, ৩ নারী ও ৫ শিশুসহ মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুরো উপজেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ট্রাজেডির ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও বালিজুড়ি গ্রামের সঙ্গে নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বর্ষা মৌসুমে এখনও ঝুঁকি নিয়ে নৌপথে চলাচল করতে হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে দীর্ঘ পথ হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। এলাকাবাসীর দাবি, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত নিরাপদ ও স্থায়ী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

স্থানীয়দের মতে, বালিজুড়ি ট্রাজেডি শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ সংকটের নির্মম বাস্তবতার প্রতীক। তাই নিহতদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।


দৈনিক ধর্মপাশার খবর


কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক ধর্মপাশার খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত