সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের দাতিয়াপাড়া গ্রামে গোয়ালঘর ভেঙে তিনটি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গ্রামের ৬ জনকে অভিযুক্ত করে মধ্যনগর থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. সোহেল মিয়া (৪৩)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দাতিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়া গত ৫ জুন রাতে খাবার শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখতে পান, দরজার তালা ভাঙা এবং গোয়ালঘরে থাকা তিনটি গরু নেই। পরে তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং গরুগুলো খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।সোহেল মিয়া দাবি করেন, খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ৮ জুন গ্রামের এক অভিযুক্ত ব্যক্তি দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে গরু চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ওই সময় তিনি কথোপকথনটি মোবাইল ফোনে অডিও রেকর্ড করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
মামলায় আলম নূর, আহাদ নূর, হারুন মিয়া, হানিফ মিয়া, রাসেল মিয়া ও খোকন মিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই দাতিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
চুরি হওয়া গরুর মধ্যে একটি লাল রঙের যাঁড় এবং দুটি বকনা গরু রয়েছে। গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলে সেটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী সোহেল মিয়া বলেন, “বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে কোনো সমাধান না হওয়ায় থানায় মামলা দায়ের করেছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, “ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। একই সঙ্গে চুরি হওয়া গরু উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে।”

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের দাতিয়াপাড়া গ্রামে গোয়ালঘর ভেঙে তিনটি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গ্রামের ৬ জনকে অভিযুক্ত করে মধ্যনগর থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. সোহেল মিয়া (৪৩)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দাতিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়া গত ৫ জুন রাতে খাবার শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখতে পান, দরজার তালা ভাঙা এবং গোয়ালঘরে থাকা তিনটি গরু নেই। পরে তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং গরুগুলো খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।সোহেল মিয়া দাবি করেন, খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ৮ জুন গ্রামের এক অভিযুক্ত ব্যক্তি দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে গরু চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ওই সময় তিনি কথোপকথনটি মোবাইল ফোনে অডিও রেকর্ড করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
মামলায় আলম নূর, আহাদ নূর, হারুন মিয়া, হানিফ মিয়া, রাসেল মিয়া ও খোকন মিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই দাতিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
চুরি হওয়া গরুর মধ্যে একটি লাল রঙের যাঁড় এবং দুটি বকনা গরু রয়েছে। গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলে সেটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী সোহেল মিয়া বলেন, “বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে কোনো সমাধান না হওয়ায় থানায় মামলা দায়ের করেছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, “ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। একই সঙ্গে চুরি হওয়া গরু উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন