সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নে খালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরযাত্রীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের হিজলা গ্রামের সামনের বড় হিজলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের কাচা মিয়ার ছেলে ও বর বাবু মিয়া (২২), তার বড় ভাই সোহেল মিয়া (২৭) এবং একই ইউনিয়নের শফিকুল ইসলাম (৩৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরযাত্রী বহনকারী ট্রলারটি আলোকদিয়া গ্রাম থেকে পাইকুরাটি ইউনিয়নের হিজলা গ্রামের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে আসে। এতে ট্রলারে থাকা বরযাত্রীসহ তিনজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরে শফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।অপর দুইজন বর্তমানে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নে খালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরযাত্রীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের হিজলা গ্রামের সামনের বড় হিজলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের কাচা মিয়ার ছেলে ও বর বাবু মিয়া (২২), তার বড় ভাই সোহেল মিয়া (২৭) এবং একই ইউনিয়নের শফিকুল ইসলাম (৩৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরযাত্রী বহনকারী ট্রলারটি আলোকদিয়া গ্রাম থেকে পাইকুরাটি ইউনিয়নের হিজলা গ্রামের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে আসে। এতে ট্রলারে থাকা বরযাত্রীসহ তিনজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরে শফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।অপর দুইজন বর্তমানে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন