দৈনিক ধর্মপাশার খবর

ধর্মপাশায় নিজ বসতঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় এনসিপি নেতার মরদেহ উদ্ধার


মহি উদ্দিন আরিফ
মহি উদ্দিন আরিফ
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

ধর্মপাশায় নিজ বসতঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় এনসিপি নেতার মরদেহ উদ্ধার

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদরে নিজ বসতঘর থেকে মো. শাহীন কাদির (৪৮) নামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সদরের ধর্মপাশা পশ্চিমপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।শাহীন কাদির ওই গ্রামের মৃত সুনু কাদিরের ছেলে। তিনি এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে শাহীন কাদির বসতঘরের বারান্দার একটি কক্ষে ঢুকে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খাবারের জন্য ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘ সময়েও কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় কক্ষের আড়ার সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে 

শাহীন কাদিরের ভাতিজা আসিফ আহমেদ বলেন, তাঁর চাচা দীর্ঘদিন ধরে মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায়ই মেরুদণ্ডের ব্যথায় কষ্ট পেতেন। চিকিৎসা করিয়েও তিনি কাঙ্ক্ষিত সুফল পাননি।

এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, ‘শাহীন কাদির কেন এমন পথ বেছে নিলেন, তা বুঝে উঠতে পারছি না। তাঁর মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত।’

ধর্মপাশা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এসএম ফজলে রাব্বী রাজিব বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক ধর্মপাশার খবর

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ধর্মপাশায় নিজ বসতঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় এনসিপি নেতার মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদরে নিজ বসতঘর থেকে মো. শাহীন কাদির (৪৮) নামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সদরের ধর্মপাশা পশ্চিমপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।শাহীন কাদির ওই গ্রামের মৃত সুনু কাদিরের ছেলে। তিনি এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে শাহীন কাদির বসতঘরের বারান্দার একটি কক্ষে ঢুকে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খাবারের জন্য ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘ সময়েও কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় কক্ষের আড়ার সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে রাত সাড়ে নয়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে 

শাহীন কাদিরের ভাতিজা আসিফ আহমেদ বলেন, তাঁর চাচা দীর্ঘদিন ধরে মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায়ই মেরুদণ্ডের ব্যথায় কষ্ট পেতেন। চিকিৎসা করিয়েও তিনি কাঙ্ক্ষিত সুফল পাননি।

এনসিপির ধর্মপাশা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, ‘শাহীন কাদির কেন এমন পথ বেছে নিলেন, তা বুঝে উঠতে পারছি না। তাঁর মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত।’

ধর্মপাশা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এসএম ফজলে রাব্বী রাজিব বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


দৈনিক ধর্মপাশার খবর


কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক ধর্মপাশার খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত