দৈনিক ধর্মপাশার খবর

মধ্যনগরে ইউপি সদস্য বাবার মৃত্যুর পর ছেলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

মধ্যনগরে ইউপি সদস্য বাবার মৃত্যুর পর ছেলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মো. স্বপন মিয়ার বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধির মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারি সুবিধা বণ্টনে প্রভাব বিস্তার, স্থানীয় বিরোধে হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ডের সাবেক নির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. একলাস উদ্দিনের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মো. স্বপন মিয়া কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বা আইনগতভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্যের মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, স্বপন মিয়া সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, ভাতা ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার, স্থানীয় বিরোধে জনপ্রতিনিধির মতো হস্তক্ষেপ ও মীমাংসার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিজেকে ওয়ার্ডের প্রতিনিধির মতো উপস্থাপন এবং বিভিন্ন কাগজপত্র, প্রত্যয়ন বা প্রশাসনিক বিষয়ে সুপারিশ কিংবা প্রতিনিধিত্বমূলক ভূমিকা পালনের অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি সুবিধা, ভাতা ও সহায়তা বণ্টনে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে মো. স্বপন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বক্তব্য নিতে হলে গড়াকাটা বাজারে আসতে হবে। ফোনে কোনো বক্তব্য আমি দিতে পারব না।”

বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্ব আমি এবং মহিলা ইউপি সদস্য পালন করি। মাঝে মধ্যে আমার ব্যক্তিগত কাজে সহযোগিতা করার জন্য স্বপন মিয়া পরিষদে এসে আমাকে সহযোগিতা করে।”

এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জনি রায় বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক ধর্মপাশার খবর

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মধ্যনগরে ইউপি সদস্য বাবার মৃত্যুর পর ছেলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মো. স্বপন মিয়ার বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধির মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারি সুবিধা বণ্টনে প্রভাব বিস্তার, স্থানীয় বিরোধে হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ডের সাবেক নির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. একলাস উদ্দিনের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মো. স্বপন মিয়া কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বা আইনগতভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্যের মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, স্বপন মিয়া সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, ভাতা ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার, স্থানীয় বিরোধে জনপ্রতিনিধির মতো হস্তক্ষেপ ও মীমাংসার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিজেকে ওয়ার্ডের প্রতিনিধির মতো উপস্থাপন এবং বিভিন্ন কাগজপত্র, প্রত্যয়ন বা প্রশাসনিক বিষয়ে সুপারিশ কিংবা প্রতিনিধিত্বমূলক ভূমিকা পালনের অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি সুবিধা, ভাতা ও সহায়তা বণ্টনে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে মো. স্বপন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বক্তব্য নিতে হলে গড়াকাটা বাজারে আসতে হবে। ফোনে কোনো বক্তব্য আমি দিতে পারব না।”

বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্ব আমি এবং মহিলা ইউপি সদস্য পালন করি। মাঝে মধ্যে আমার ব্যক্তিগত কাজে সহযোগিতা করার জন্য স্বপন মিয়া পরিষদে এসে আমাকে সহযোগিতা করে।”

এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জনি রায় বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


দৈনিক ধর্মপাশার খবর


কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক ধর্মপাশার খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত