সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় আমিরুল ইসলাম (২৬) নামে এক ডেকোরেটর কর্মীর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার গাগলাজুর গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানের কাজে গিয়ে জেনারেটর থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আমিরুল ইসলাম ধর্মপাশা উপজেলার ধশধরী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডেকোরেটরের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে গাগলাজুর গ্রামে বিয়ের নৌকায় ডেকোরেটরের কাজের দায়িত্ব পালন করছিলেন আমিরুল। এ সময় জেনারেটরের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আমিরুল ইসলাম প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের এক মাস না পেরোতেই তার এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় আমিরুল ইসলাম (২৬) নামে এক ডেকোরেটর কর্মীর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার গাগলাজুর গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানের কাজে গিয়ে জেনারেটর থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আমিরুল ইসলাম ধর্মপাশা উপজেলার ধশধরী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডেকোরেটরের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে গাগলাজুর গ্রামে বিয়ের নৌকায় ডেকোরেটরের কাজের দায়িত্ব পালন করছিলেন আমিরুল। এ সময় জেনারেটরের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আমিরুল ইসলাম প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের এক মাস না পেরোতেই তার এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন