সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় লিটন বর্মণ (৩১) নামে এক শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের পাথারিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত লিটন বর্মণ ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
লিটন বর্মণের অভিযোগ, পাথারিয়াকান্দা গ্রামের সদর আলীর ছেলে টেনু মিয়া ও তাঁর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা করেন। এ সময় দায়ের কোপে তাঁর মাথায় জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিটন বর্মণের বাবা রবি বর্মণের রেকর্ডীয় জমির পাশের খাসজমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন টেনু মিয়া। ওই জমির একটি অংশ নিজেদের বলে দাবি করে দখলের চেষ্টা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে রোববার সকালে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
লিটন বর্মণ বলেন, গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান থাকায় সেদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল। শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে ডেকে আনতে বিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় টেনু মিয়া ও তাঁর লোকজন তাঁর ওপর হামলা করেন। এ সময় দায়ের কোপে তাঁর মাথায় জখম হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে টেনু মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য জানতে তাঁর ছেলে সঠিক মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় লিটন বর্মণ (৩১) নামে এক শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের পাথারিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত লিটন বর্মণ ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
লিটন বর্মণের অভিযোগ, পাথারিয়াকান্দা গ্রামের সদর আলীর ছেলে টেনু মিয়া ও তাঁর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা করেন। এ সময় দায়ের কোপে তাঁর মাথায় জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিটন বর্মণের বাবা রবি বর্মণের রেকর্ডীয় জমির পাশের খাসজমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন টেনু মিয়া। ওই জমির একটি অংশ নিজেদের বলে দাবি করে দখলের চেষ্টা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে রোববার সকালে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
লিটন বর্মণ বলেন, গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠান থাকায় সেদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল। শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে ডেকে আনতে বিদ্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় টেনু মিয়া ও তাঁর লোকজন তাঁর ওপর হামলা করেন। এ সময় দায়ের কোপে তাঁর মাথায় জখম হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে টেনু মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য জানতে তাঁর ছেলে সঠিক মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন