দৈনিক ধর্মপাশার খবর

ধর্মপাশায় সৌরভের মৃত্যু নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এলো নতুন তথ্য


ডিপি ডেক্স নিউজ
ডিপি ডেক্স নিউজ
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

ধর্মপাশায় সৌরভের মৃত্যু নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এলো নতুন তথ্য

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সৌরভ মিয়া (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মাহিনুর আক্তারসহ চারজন তাঁকে আত্মহত্যায় বাধ্য করেছিলেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে সিলেট পিবিআই। এর আগে সৌরভকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে তাঁর মা মমতা খাতুন মামলা করেছিলেন।

সৌরভ ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের নোয়ারবন্দ গ্রামের সাজ্জাত মিয়া ও মমতা খাতুন দম্পতির ছেলে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি মাহিনুর আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে বিরোধ দেখা দেয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৌরভের অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রীর পরিচিত এক প্রেমিক যুগল তাঁদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে সৌরভ তাঁর স্ত্রীকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য বলেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে মাহিনুর বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে সৌরভ স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার আগের দিন বিকেলে মাহিনুর ফোন করে সৌরভকে তাঁর বাবার বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে মাহিনুরসহ কয়েকজন তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন বলে দাবি করেন সৌরভের মা।

২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মাহিনুরের বাবার বাড়ি থেকে সৌরভের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। দীর্ঘ আট মাস পর ২৭ অক্টোবর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পায় পরিবার।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সৌরভকে হত্যার অভিযোগে তাঁর মা মমতা খাতুন ধর্মপাশা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামাল বলেন, সৌরভের মায়ের দাবি, তাঁর ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ত্রীসহ চারজন তাঁকে আত্মহত্যায় বাধ্য করেছিলেন। মঙ্গলবার আদালতে প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক ধর্মপাশার খবর

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


ধর্মপাশায় সৌরভের মৃত্যু নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এলো নতুন তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সৌরভ মিয়া (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মাহিনুর আক্তারসহ চারজন তাঁকে আত্মহত্যায় বাধ্য করেছিলেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে সিলেট পিবিআই। এর আগে সৌরভকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে তাঁর মা মমতা খাতুন মামলা করেছিলেন।

সৌরভ ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের নোয়ারবন্দ গ্রামের সাজ্জাত মিয়া ও মমতা খাতুন দম্পতির ছেলে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি মাহিনুর আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে বিরোধ দেখা দেয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৌরভের অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রীর পরিচিত এক প্রেমিক যুগল তাঁদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে সৌরভ তাঁর স্ত্রীকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য বলেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে মাহিনুর বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে সৌরভ স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার আগের দিন বিকেলে মাহিনুর ফোন করে সৌরভকে তাঁর বাবার বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে মাহিনুরসহ কয়েকজন তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন বলে দাবি করেন সৌরভের মা।

২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মাহিনুরের বাবার বাড়ি থেকে সৌরভের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সুনামগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। দীর্ঘ আট মাস পর ২৭ অক্টোবর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পায় পরিবার।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে সৌরভকে হত্যার অভিযোগে তাঁর মা মমতা খাতুন ধর্মপাশা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামাল বলেন, সৌরভের মায়ের দাবি, তাঁর ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ত্রীসহ চারজন তাঁকে আত্মহত্যায় বাধ্য করেছিলেন। মঙ্গলবার আদালতে প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


দৈনিক ধর্মপাশার খবর


কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক ধর্মপাশার খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত