দৈনিক ধর্মপাশার খবর

ধর্মপাশা থেকে নিখোঁজের পর মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার


মহি উদ্দিন আরিফ
মহি উদ্দিন আরিফ
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

ধর্মপাশা থেকে নিখোঁজের পর মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় মো. ফজলুল রহিম কাজল (অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর বাজারের উত্তর পাশে কংস নদের তীরসংলগ্ন একটি পারিবারিক কবরস্থানের গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

নিহত ফজলুল রহিম কাজল ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের নওধার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধর্মপাশা ও মোহনগঞ্জ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর বুধবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন কাজল। দুপুরে সিলেট পুলিশ লাইনে কর্মরত তাঁর এক ছেলেকে ফোন করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কথা জানান তিনি। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পান। নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ওই রাতেই তাঁর ছেলে মারুফ হাসান রনক ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ তদন্তের পাশাপাশি রাতেই অভিযান চালিয়েছিল। পরে শুক্রবার সকালে মোহনগঞ্জ এলাকায় তাঁর মরদেহ পাওয়ার খবর আসে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে ধর্মপাশা থানা-পুলিশের সদস্যরা সেখানে যান। এ সময় তাঁর ছেলেরাও সঙ্গে ছিলেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত মোহনগঞ্জ থানা-পুলিশ জানাতে পারবে।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক ধর্মপাশার খবর

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


ধর্মপাশা থেকে নিখোঁজের পর মোহনগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় মো. ফজলুল রহিম কাজল (অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর বাজারের উত্তর পাশে কংস নদের তীরসংলগ্ন একটি পারিবারিক কবরস্থানের গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

নিহত ফজলুল রহিম কাজল ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের নওধার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধর্মপাশা ও মোহনগঞ্জ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর বুধবার সকাল ৯টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন কাজল। দুপুরে সিলেট পুলিশ লাইনে কর্মরত তাঁর এক ছেলেকে ফোন করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কথা জানান তিনি। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পান। নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ওই রাতেই তাঁর ছেলে মারুফ হাসান রনক ধর্মপাশা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ তদন্তের পাশাপাশি রাতেই অভিযান চালিয়েছিল। পরে শুক্রবার সকালে মোহনগঞ্জ এলাকায় তাঁর মরদেহ পাওয়ার খবর আসে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে ধর্মপাশা থানা-পুলিশের সদস্যরা সেখানে যান। এ সময় তাঁর ছেলেরাও সঙ্গে ছিলেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত মোহনগঞ্জ থানা-পুলিশ জানাতে পারবে।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


দৈনিক ধর্মপাশার খবর


কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক ধর্মপাশার খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত