সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে নগদ টাকা, আসবাবপত্র, একটি অটোরিকশাসহ ঘরের সব মালামাল পুড়ে গেছে। এতে অন্তত আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। আগুনে সবকিছু হারিয়ে স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অটোরিকশাচালক মনির মিয়া (৩০)।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আহম্মদপুর গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ক্ষতিগ্রস্ত মনির মিয়া জানান, শুক্রবার দুপুর পৌনে একটার দিকে জুমার নামাজ আদায় করতে তিনি মসজিদে যান। এ সময় তাঁর বসতঘরে আগুন জ্বলতে দেখে বেলা ১টা ২৫ মিনিটের দিকে স্ত্রী কুলসুমা মুঠোফোনে তাঁকে খবর দেন। পরে দুপুর ২টার দিকে ধর্মপাশা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে ঘরের সব মালামাল পুড়ে যায়।
মনির মিয়া বলেন, ‘আমার ঘরের শোকেসের ভেতরে রাখা শাশুড়ির নগদ আড়াই লাখ টাকা, পালঙ্ক, একটি অটোরিকশাসহ ঘরের সব মালামাল পুড়ে গেছে। আমার স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। অটোরিকশা চালিয়ে ছয় সদস্যের সংসার চলত। আগুনে সব হারিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। সব মিলিয়ে আট লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।’
ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে নগদ টাকা, আসবাবপত্র, একটি অটোরিকশাসহ ঘরের সব মালামাল পুড়ে গেছে। এতে অন্তত আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। আগুনে সবকিছু হারিয়ে স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অটোরিকশাচালক মনির মিয়া (৩০)।শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আহম্মদপুর গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ক্ষতিগ্রস্ত মনির মিয়া জানান, শুক্রবার দুপুর পৌনে একটার দিকে জুমার নামাজ আদায় করতে তিনি মসজিদে যান। এ সময় তাঁর বসতঘরে আগুন জ্বলতে দেখে বেলা ১টা ২৫ মিনিটের দিকে স্ত্রী কুলসুমা মুঠোফোনে তাঁকে খবর দেন। পরে দুপুর ২টার দিকে ধর্মপাশা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে ঘরের সব মালামাল পুড়ে যায়।
মনির মিয়া বলেন, ‘আমার ঘরের শোকেসের ভেতরে রাখা শাশুড়ির নগদ আড়াই লাখ টাকা, পালঙ্ক, একটি অটোরিকশাসহ ঘরের সব মালামাল পুড়ে গেছে। আমার স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। অটোরিকশা চালিয়ে ছয় সদস্যের সংসার চলত। আগুনে সব হারিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। সব মিলিয়ে আট লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।’
ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন