সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন মাস বয়সী শিশু সিয়ামের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শুভেন্দু শেখর দাসকে লাঞ্ছিত ও জরুরি বিভাগে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় জরুরি বিভাগের জানালার কাঁচ ও একটি নেভুলাইজার মেশিন ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সিয়াম উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের রাব্বী মিয়া (৩৪) ও স্মৃতি মনি (২৮) দম্পতির সন্তান। খবর পেয়ে ধর্মপাশা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হাসপাতাল ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম সিভিয়ার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে গত বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে তাকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে পুরুষ ওয়ার্ডে রেখে তার চিকিৎসা চলছিল।রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ শিশুটির শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে বাবা-মা তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সাবের ফুয়াদ শিশুটিকে চিকিৎসা দেন। খবর পেয়ে আরএমও ডা. শুভেন্দু শেখর দাসও সেখানে উপস্থিত হন। দুই চিকিৎসক মিলে শিশুটিকে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। তবে বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, শিশুটির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার বাবা-মা আরএমওর শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করেন। একপর্যায়ে জরুরি বিভাগের জানালার কাঁচ ও একটি নেভুলাইজার মেশিন ভাঙচুর করা হয়। পরে হাসপাতালের কর্মীরা আরএমওকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
আরএমও ডা. শুভেন্দু শেখর দাস বলেন, শিশুটিকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। তবে মৃত্যুর পর তার বাবা-মা তাঁকে লাঞ্ছিত করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুবীর সরকার বলেন, শিশুটিকে বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনায় আরএমওকে লাঞ্ছিত ও ভাঙচুরের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
ধর্মপাশা থানার এসআই শরীফুল ইসলাম বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন মাস বয়সী শিশু সিয়ামের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শুভেন্দু শেখর দাসকে লাঞ্ছিত ও জরুরি বিভাগে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় জরুরি বিভাগের জানালার কাঁচ ও একটি নেভুলাইজার মেশিন ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সিয়াম উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের রাব্বী মিয়া (৩৪) ও স্মৃতি মনি (২৮) দম্পতির সন্তান। খবর পেয়ে ধর্মপাশা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হাসপাতাল ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম সিভিয়ার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে গত বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে তাকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে পুরুষ ওয়ার্ডে রেখে তার চিকিৎসা চলছিল।রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ শিশুটির শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে বাবা-মা তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সাবের ফুয়াদ শিশুটিকে চিকিৎসা দেন। খবর পেয়ে আরএমও ডা. শুভেন্দু শেখর দাসও সেখানে উপস্থিত হন। দুই চিকিৎসক মিলে শিশুটিকে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। তবে বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, শিশুটির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তার বাবা-মা আরএমওর শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করেন। একপর্যায়ে জরুরি বিভাগের জানালার কাঁচ ও একটি নেভুলাইজার মেশিন ভাঙচুর করা হয়। পরে হাসপাতালের কর্মীরা আরএমওকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
আরএমও ডা. শুভেন্দু শেখর দাস বলেন, শিশুটিকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। তবে মৃত্যুর পর তার বাবা-মা তাঁকে লাঞ্ছিত করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুবীর সরকার বলেন, শিশুটিকে বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনায় আরএমওকে লাঞ্ছিত ও ভাঙচুরের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
ধর্মপাশা থানার এসআই শরীফুল ইসলাম বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন