দৈনিক ধর্মপাশার খবর

নিখুঁত সিদ্ধান্ত ও নিরপেক্ষতায় ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ছেন রিগান

বাফুফের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি ধর্মপাশার জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান



বাফুফের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি ধর্মপাশার জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান

মাঠের প্রতিটি সিদ্ধান্তে যার নিখুঁত দূরদর্শিতা ও নিরপেক্ষতা, রেফারিংয়ে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ছেন সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান।রিগান উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সন্তান। তার বাবা জি এম মমতাজুর রহমান কাজল।

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি ছিল রিগানের গভীর আগ্রহ। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকে শুরুতে খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামলেও পরবর্তীতে রেফারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। গ্রামের ধুলোবালির মাঠ থেকে শুরু হওয়া সেই পথচলা এখন তাকে পরিচিত করেছে একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি হিসেবে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি রিগান নিয়মিত বিভিন্ন ফুটবল ম্যাচ পরিচালনা করছেন। ধর্মপাশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠ ও বাদশাগঞ্জ খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও টুর্নামেন্টে তিনি রেফারির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সম্প্রতি শ্রীমঙ্গল, ঢাকা, নেত্রকোনা, বারহাট্টা ও তাহিরপুরের বিপক্ষে ধর্মপাশা উপজেলা ফুটবল একাদশের বিভিন্ন ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেন রিগান। এসব ম্যাচে তার নিরপেক্ষতা, বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বশীল রেফারিং ফুটবলপ্রেমীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।একজন রেফারির জন্য মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে সতর্ক থাকা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিগানের রেফারিংয়ে এসব গুণের সমন্বয় দেখা যায় বলে স্থানীয় ফুটবলসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিজের অনুভূতি জানিয়ে জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান বলেন,“ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই রেফারিংয়ে আসা। সবসময় নিরপেক্ষ থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত দেওয়াই আমার লক্ষ্য। ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে আরও বড় ম্যাচ পরিচালনা করতে চাই। সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা মনে করছেন, কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার মাধ্যমে রিগান ভবিষ্যতে রেফারিংয়ে আরও বড় পরিসরে নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারবেন। ধর্মপাশার মাটিতে শুরু হওয়া তার এই পথচলা জাতীয় পর্যায়ে আরও সাফল্য বয়ে আনবে এমন প্রত্যাশা ক্রীড়ানুরাগীদের।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক ধর্মপাশার খবর

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাফুফের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি ধর্মপাশার জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মাঠের প্রতিটি সিদ্ধান্তে যার নিখুঁত দূরদর্শিতা ও নিরপেক্ষতা, রেফারিংয়ে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ছেন সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান।রিগান উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সন্তান। তার বাবা জি এম মমতাজুর রহমান কাজল।

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি ছিল রিগানের গভীর আগ্রহ। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকে শুরুতে খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামলেও পরবর্তীতে রেফারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। গ্রামের ধুলোবালির মাঠ থেকে শুরু হওয়া সেই পথচলা এখন তাকে পরিচিত করেছে একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি হিসেবে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি রিগান নিয়মিত বিভিন্ন ফুটবল ম্যাচ পরিচালনা করছেন। ধর্মপাশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠ ও বাদশাগঞ্জ খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও টুর্নামেন্টে তিনি রেফারির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সম্প্রতি শ্রীমঙ্গল, ঢাকা, নেত্রকোনা, বারহাট্টা ও তাহিরপুরের বিপক্ষে ধর্মপাশা উপজেলা ফুটবল একাদশের বিভিন্ন ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেন রিগান। এসব ম্যাচে তার নিরপেক্ষতা, বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বশীল রেফারিং ফুটবলপ্রেমীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।একজন রেফারির জন্য মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে সতর্ক থাকা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিগানের রেফারিংয়ে এসব গুণের সমন্বয় দেখা যায় বলে স্থানীয় ফুটবলসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিজের অনুভূতি জানিয়ে জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান বলেন,“ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই রেফারিংয়ে আসা। সবসময় নিরপেক্ষ থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত দেওয়াই আমার লক্ষ্য। ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে আরও বড় ম্যাচ পরিচালনা করতে চাই। সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা মনে করছেন, কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার মাধ্যমে রিগান ভবিষ্যতে রেফারিংয়ে আরও বড় পরিসরে নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারবেন। ধর্মপাশার মাটিতে শুরু হওয়া তার এই পথচলা জাতীয় পর্যায়ে আরও সাফল্য বয়ে আনবে এমন প্রত্যাশা ক্রীড়ানুরাগীদের।


দৈনিক ধর্মপাশার খবর


কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক ধর্মপাশার খবর সর্বস্ব সংরক্ষিত