সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সরিষাকান্দা ইসলামপুর গ্রাম থেকে গত সোমবার দিবাগত রাতে আতাউর রহমান (২৮) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের মৃত সিদ্দিক মিয়ার ছেলে।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ধর্মপাশা থানার এসআই আব্দুল্লাহ বলেন, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সরিষাকান্দা ইসলামপুর গ্রামের আতাউর রহমান তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বছর খানেক ধরে ঢাকার তৈরি একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক হিসেবে চাকরি করে সেখানে তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করে আসছেন। মাস খানেক আগে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে রাগ করে নিজ বাড়িতে চলে আসেন। সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তিনি ইঁদুর মারার বিষ (বুলেট ট্যাবলেট) খেয়ে ছটফট করাসহ বেশ কয়েকবার বমি করেন। রাত ১২টার দিকে তাঁকে পাশের জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।তাঁকে সুনামগঞ্জ শহরে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান। পরে তাঁর লাশ বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে ওইদিন রাত তিনটার দিকে সরিষাকান্দা ইসলামপুর গ্রামে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়৷ মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশটি মঙ্গলবার সকালে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সরিষাকান্দা ইসলামপুর গ্রাম থেকে গত সোমবার দিবাগত রাতে আতাউর রহমান (২৮) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের মৃত সিদ্দিক মিয়ার ছেলে।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ধর্মপাশা থানার এসআই আব্দুল্লাহ বলেন, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সরিষাকান্দা ইসলামপুর গ্রামের আতাউর রহমান তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বছর খানেক ধরে ঢাকার তৈরি একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক হিসেবে চাকরি করে সেখানে তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করে আসছেন। মাস খানেক আগে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে রাগ করে নিজ বাড়িতে চলে আসেন। সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তিনি ইঁদুর মারার বিষ (বুলেট ট্যাবলেট) খেয়ে ছটফট করাসহ বেশ কয়েকবার বমি করেন। রাত ১২টার দিকে তাঁকে পাশের জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।তাঁকে সুনামগঞ্জ শহরে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান। পরে তাঁর লাশ বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে ওইদিন রাত তিনটার দিকে সরিষাকান্দা ইসলামপুর গ্রামে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়৷ মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশটি মঙ্গলবার সকালে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন