সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার একটি গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া আট বছর বয়সী এক শিশু (৮) বলাৎকারের শিকার হয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
শিশুটির পরিবারের একাধিক সদস্য ও ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি গ্রামের আট বছর বয়সী ওই শিশুটিকে খেলাধুলা করার কথা বলে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক প্রতিবেশী কিশোর (১৫) তাদের গ্রামের পেছনের জঙ্গলে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক শিশুটিকে বলাৎকার করে ওই কিশোর।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে শিশুটির পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে শিশুটি বলাৎকারের শিকার হওয়ার ঘটনাটি তার বাবা-মাকে জানায়। পরে ওইদিন সকাল ১১টার দিকে তাকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুটি বলাৎকারের শিকার হয়েছে বলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. পায়েলা সাবরুলকে জানানো হয়।
পরে তিনি শিশুটিকে পরীক্ষা করে পায়ূপথের উপরের অংশে লালচে ভাব এবং কিছুটা চামড়া উঠে যাওয়ার লক্ষণ দেখতে পান। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
ঘটনায় জড়িত ওই কিশোর ও তার বাবার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
শিশুটির বাবা বলেন, “আমার ছেলেকে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
ধর্মপাশা থানার ওসি মো. উল্যা বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার একটি গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া আট বছর বয়সী এক শিশু (৮) বলাৎকারের শিকার হয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
শিশুটির পরিবারের একাধিক সদস্য ও ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি গ্রামের আট বছর বয়সী ওই শিশুটিকে খেলাধুলা করার কথা বলে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক প্রতিবেশী কিশোর (১৫) তাদের গ্রামের পেছনের জঙ্গলে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক শিশুটিকে বলাৎকার করে ওই কিশোর।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে শিশুটির পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে শিশুটি বলাৎকারের শিকার হওয়ার ঘটনাটি তার বাবা-মাকে জানায়। পরে ওইদিন সকাল ১১টার দিকে তাকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুটি বলাৎকারের শিকার হয়েছে বলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. পায়েলা সাবরুলকে জানানো হয়।
পরে তিনি শিশুটিকে পরীক্ষা করে পায়ূপথের উপরের অংশে লালচে ভাব এবং কিছুটা চামড়া উঠে যাওয়ার লক্ষণ দেখতে পান। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
ঘটনায় জড়িত ওই কিশোর ও তার বাবার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
শিশুটির বাবা বলেন, “আমার ছেলেকে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
ধর্মপাশা থানার ওসি মো. উল্যা বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন