সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় দোকানের ভেতরে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যবসায়ীর নাম মো. কামরুল ইসলাম (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল আলী ও মৃত কমলা বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দৌলতপুর গ্রামে নিজস্ব একটি মনোহারি দোকান পরিচালনা করতেন এবং প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করার পর সেখানেই রাত্রিযাপন করতেন। বুধবার ভোরে ফজরের নামাজ শেষে স্থানীয় মুসল্লিরা দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দোকানটি খোলা দেখতে পান। পরে ভেতরে প্রবেশ করে দোকান এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। দোকানের ক্যাশবাক্সে টাকা ছিল সেগুলো নেই এবং মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন কামরুল ইসলামের নিথর দেহ। পরে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোকাররম হোসেন বলেন, মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় দোকানের ভেতরে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যবসায়ীর নাম মো. কামরুল ইসলাম (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল আলী ও মৃত কমলা বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দৌলতপুর গ্রামে নিজস্ব একটি মনোহারি দোকান পরিচালনা করতেন এবং প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করার পর সেখানেই রাত্রিযাপন করতেন। বুধবার ভোরে ফজরের নামাজ শেষে স্থানীয় মুসল্লিরা দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দোকানটি খোলা দেখতে পান। পরে ভেতরে প্রবেশ করে দোকান এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। দোকানের ক্যাশবাক্সে টাকা ছিল সেগুলো নেই এবং মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন কামরুল ইসলামের নিথর দেহ। পরে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোকাররম হোসেন বলেন, মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যা বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন