সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার গুরমার হাওরে বাঁধ কাটার সময় মাটিচাপায় আরমান মিয়া (১৮) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার গুরমার হাওরের ৮ নম্বর উপ-প্রকল্পের শৌলডুয়ারী বাঁধে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আরমান মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের শালীয়ানী গ্রামের চানপর মিয়ার একমাত্র ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে মধ্যনগর উপজেলার রুপেশ্বর হাওরের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে পানি আটকে পড়ে। জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য গত শুক্রবার রাতে স্থানীয় কৃষকরা গুরমার হাওরের ৮ নম্বর উপ-প্রকল্পের শৌলডুয়ারী বাঁধ কেটে দেন।
বাঁধ কাটার পর পানি প্রবাহ শুরু হলেও একপর্যায়ে কাটা অংশের পাড় ধসে পড়ে, ফলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়। পরে রোববার সকালে শালীয়ানী গ্রামের কয়েকজন কৃষক ধসে পড়া অংশের মাটি সরানোর কাজ শুরু করেন।
দুপুরের দিকে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছালে হঠাৎ আবারও বাঁধের একটি অংশ ধসে পড়ে। এ সময় উপস্থিত অন্যরা দ্রুত সরে যেতে পারলেও আরমান মিয়া মাটির নিচে চাপা পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ও শ্রমিকরা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুবীর সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, “বাঁধে মাটি চাপায় এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে বাঁধ কাটার বিষয়ে প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছিল না। স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্যোগেই বাঁধ কেটেছেন।”

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার গুরমার হাওরে বাঁধ কাটার সময় মাটিচাপায় আরমান মিয়া (১৮) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার গুরমার হাওরের ৮ নম্বর উপ-প্রকল্পের শৌলডুয়ারী বাঁধে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আরমান মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের শালীয়ানী গ্রামের চানপর মিয়ার একমাত্র ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে মধ্যনগর উপজেলার রুপেশ্বর হাওরের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে পানি আটকে পড়ে। জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য গত শুক্রবার রাতে স্থানীয় কৃষকরা গুরমার হাওরের ৮ নম্বর উপ-প্রকল্পের শৌলডুয়ারী বাঁধ কেটে দেন।
বাঁধ কাটার পর পানি প্রবাহ শুরু হলেও একপর্যায়ে কাটা অংশের পাড় ধসে পড়ে, ফলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়। পরে রোববার সকালে শালীয়ানী গ্রামের কয়েকজন কৃষক ধসে পড়া অংশের মাটি সরানোর কাজ শুরু করেন।
দুপুরের দিকে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছালে হঠাৎ আবারও বাঁধের একটি অংশ ধসে পড়ে। এ সময় উপস্থিত অন্যরা দ্রুত সরে যেতে পারলেও আরমান মিয়া মাটির নিচে চাপা পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ও শ্রমিকরা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুবীর সরকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, “বাঁধে মাটি চাপায় এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে বাঁধ কাটার বিষয়ে প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছিল না। স্থানীয় লোকজন নিজেদের উদ্যোগেই বাঁধ কেটেছেন।”

আপনার মতামত লিখুন