ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর (ঢাবি) ক্রিমিনোলজি বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের অনার্স পরীক্ষায় ৩.৭৯ সিজিপিএ পেয়ে ডিপার্টমেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার কৃতী শিক্ষার্থী সিনথিয়া মেহরিন সকাল।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) প্রকাশিত ফলাফলে এ সাফল্য অর্জন করেন তিনি। একাডেমিক কৃতিত্বের পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) রোকেয়া হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।
সিনথিয়া মেহরিন সকাল ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০১৮ সালে ধর্মপাশা জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ, ময়মনসিংহ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
নিজের সাফল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার। ফাইনাল পরীক্ষার আগের দিন আমার বাবা মারা যান। তখন মনে হয়েছিল পরীক্ষাগুলো ঠিকভাবে দিতে পারব না। তবে বিভাগের শিক্ষকদের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পেরেছি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছিলাম তিনি উত্তম পরিকল্পনাকারী।”
তিনি আরও বলেন, “বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো আজও তাঁকে বোঝাতে হতো ‘থার্ড’ মানে কী, সিজিপিএ কী! তিনি নিশ্চয়ই আজ অনেক খুশি এবং আমার জন্য দোয়া করছেন।”

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর (ঢাবি) ক্রিমিনোলজি বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের অনার্স পরীক্ষায় ৩.৭৯ সিজিপিএ পেয়ে ডিপার্টমেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার কৃতী শিক্ষার্থী সিনথিয়া মেহরিন সকাল।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) প্রকাশিত ফলাফলে এ সাফল্য অর্জন করেন তিনি। একাডেমিক কৃতিত্বের পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) রোকেয়া হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।
সিনথিয়া মেহরিন সকাল ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০১৮ সালে ধর্মপাশা জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ, ময়মনসিংহ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
নিজের সাফল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার। ফাইনাল পরীক্ষার আগের দিন আমার বাবা মারা যান। তখন মনে হয়েছিল পরীক্ষাগুলো ঠিকভাবে দিতে পারব না। তবে বিভাগের শিক্ষকদের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পেরেছি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছিলাম তিনি উত্তম পরিকল্পনাকারী।”
তিনি আরও বলেন, “বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো আজও তাঁকে বোঝাতে হতো ‘থার্ড’ মানে কী, সিজিপিএ কী! তিনি নিশ্চয়ই আজ অনেক খুশি এবং আমার জন্য দোয়া করছেন।”

আপনার মতামত লিখুন