সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের অংশগ্রহণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সমন্বয়কারী মাহাবুবুল আলমের সঞ্চালনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায়।সভায় নভেম্বর ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ সময়কালের মামলার তথ্য, অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন হিসাব সহকারী দেলোয়ার হোসেন জনি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উক্ত সময়ে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে মোট ৮৯টি মামলা দাখিল হয়,১টি মামলা উচ্চ আদালত থেকে দাখিল করা হয়েছে।
তাছাড়া অপেক্ষমান মামলা ছিল ৮টি সর্বমোট ৯৮ টি মামলার মধ্যে ৯২টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এসব মামলার মাধ্যমে ১৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব হয়েছে।
সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায় বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে হবে। এজন্য প্রতিটি ইউনিয়নের মাসিক সভায় গ্রাম আদালতের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। চেয়ারম্যানদের নিয়মিত শুনানি পরিচালনা করতে হবে এবং গ্রাম আদালত সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণা বাড়াতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদসমূহকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মামলা গ্রহণে উদ্যোগ নিতে হবে এবং চেয়ারম্যানরা ইউপি সদস্যদের সহযোগিতা নিয়ে আদালতের কার্যক্রম গতিশীল করবেন।তিনি আরও বলেন, হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের মামলার নথি ও রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখার বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।সভায় গ্রাম আদালত পরিচালনায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও তা উত্তরণের করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা ইউএনও অফিসের প্রসাসনিক কর্মকর্তা বাপ্পি সরকার।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলা পরিষদ হলরুমে হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের অংশগ্রহণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সমন্বয়কারী মাহাবুবুল আলমের সঞ্চালনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায়।সভায় নভেম্বর ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ সময়কালের মামলার তথ্য, অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন হিসাব সহকারী দেলোয়ার হোসেন জনি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উক্ত সময়ে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে মোট ৮৯টি মামলা দাখিল হয়,১টি মামলা উচ্চ আদালত থেকে দাখিল করা হয়েছে।
তাছাড়া অপেক্ষমান মামলা ছিল ৮টি সর্বমোট ৯৮ টি মামলার মধ্যে ৯২টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এসব মামলার মাধ্যমে ১৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব হয়েছে।
সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায় বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে হবে। এজন্য প্রতিটি ইউনিয়নের মাসিক সভায় গ্রাম আদালতের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। চেয়ারম্যানদের নিয়মিত শুনানি পরিচালনা করতে হবে এবং গ্রাম আদালত সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণা বাড়াতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদসমূহকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মামলা গ্রহণে উদ্যোগ নিতে হবে এবং চেয়ারম্যানরা ইউপি সদস্যদের সহযোগিতা নিয়ে আদালতের কার্যক্রম গতিশীল করবেন।তিনি আরও বলেন, হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের মামলার নথি ও রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখার বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।সভায় গ্রাম আদালত পরিচালনায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও তা উত্তরণের করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সভার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা ইউএনও অফিসের প্রসাসনিক কর্মকর্তা বাপ্পি সরকার।

আপনার মতামত লিখুন