সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে উপজেলা বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল হককে আহ্বায়ক এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামালকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলেন, পুলিশ ও জনসাধারণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে কমিটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। সমাজে অপরাধ দমন, মাদক, চুরি, কিশোর অপরাধসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কাজ করা হবে।
আহ্বায়ক মো. আব্দুল হক ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামাল এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য হাওরবন্ধু কামরুজ্জামান কামরুল এবং ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যার দিকনির্দেশনায় কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনমুখী করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। একই সঙ্গে তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
তারা আরও বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো জনগণ ও পুলিশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এলাকার সচেতন নাগরিক, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করা হবে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে উপজেলা বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল হককে আহ্বায়ক এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামালকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বলেন, পুলিশ ও জনসাধারণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে কমিটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। সমাজে অপরাধ দমন, মাদক, চুরি, কিশোর অপরাধসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কাজ করা হবে।
আহ্বায়ক মো. আব্দুল হক ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামাল এক যৌথ প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য হাওরবন্ধু কামরুজ্জামান কামরুল এবং ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যার দিকনির্দেশনায় কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনমুখী করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। একই সঙ্গে তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
তারা আরও বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো জনগণ ও পুলিশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এলাকার সচেতন নাগরিক, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন