সুনামগঞ্জ মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের একটি গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিন দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের নিজ বসতঘরের ভেতর থেকে অর্জুন হাজং (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মধ্যনগর পুলিশ। সে ঐগ্রামের মৃত উপেন্দ্র হাজংয়ের ছেলে।
মধ্যনগর থানা পুলিশ ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পাঁচবছর বয়সী ওই শিশুটি সাড়ে তিনবছর বয়সী এক শিশুকে নিয়ে নিজেদের বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। এ সময় চানাচুর খাওয়ানো এবং মোবাইল দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ওই দুইজন শিশুকে উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের নিজ বসতঘরের ভেতরে নিয়ে যায় অর্জুন হাজং। পরে সেখানে পাঁচবছর বয়সী শিশুটিকে জোরপূর্বক সে ধর্ষণ করে। সাড়ে তিনবছর বয়সী শিশুটি কেঁদে কেঁদে ঘটনাটি পাঁচবছর বয়সী শিশুটির মাকে ঘটনাটি জানায়। এ সময় ওই শিশুটির মা সেখানে গিয়ে নিজ মেয়েকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। শিশুটির মাকে দেখতে পেয়ে ধর্ষণকারী অর্জুন হাজং সেখান থেকে সটকে পড়েন।
মধ্যনগর থানার (ওসি) এ কে এম সাহাবুদ্দিন শাহীন জানান, ধর্ষণের শিকার পাঁচবছর বয়সী ওই শিশুটির মা বাদী হয়ে উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের অর্জুন হাজংকে আসামি করে রবিবার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামি অর্জুন হাজংকে ওইদিন দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জ মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের একটি গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিন দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের নিজ বসতঘরের ভেতর থেকে অর্জুন হাজং (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মধ্যনগর পুলিশ। সে ঐগ্রামের মৃত উপেন্দ্র হাজংয়ের ছেলে।
মধ্যনগর থানা পুলিশ ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পাঁচবছর বয়সী ওই শিশুটি সাড়ে তিনবছর বয়সী এক শিশুকে নিয়ে নিজেদের বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। এ সময় চানাচুর খাওয়ানো এবং মোবাইল দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ওই দুইজন শিশুকে উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের নিজ বসতঘরের ভেতরে নিয়ে যায় অর্জুন হাজং। পরে সেখানে পাঁচবছর বয়সী শিশুটিকে জোরপূর্বক সে ধর্ষণ করে। সাড়ে তিনবছর বয়সী শিশুটি কেঁদে কেঁদে ঘটনাটি পাঁচবছর বয়সী শিশুটির মাকে ঘটনাটি জানায়। এ সময় ওই শিশুটির মা সেখানে গিয়ে নিজ মেয়েকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। শিশুটির মাকে দেখতে পেয়ে ধর্ষণকারী অর্জুন হাজং সেখান থেকে সটকে পড়েন।
মধ্যনগর থানার (ওসি) এ কে এম সাহাবুদ্দিন শাহীন জানান, ধর্ষণের শিকার পাঁচবছর বয়সী ওই শিশুটির মা বাদী হয়ে উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের অর্জুন হাজংকে আসামি করে রবিবার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামি অর্জুন হাজংকে ওইদিন দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন