সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় চুরির অভিযোগে স্থানীয়দের হাতে আটক এক ব্যক্তি এক হাত বাঁধা অবস্থায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের শেখেরগাঁও গ্রামের সামনে বরইয়া নদীতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম রনি দাস (৩০)। তিনি উপজেলার সানবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রনি দাসের বিরুদ্ধে এলাকায় গরু, স্বর্ণালংকার, মুঠোফোনসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এছাড়া তিনি মাদকাসক্ত বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
সানবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা পল্লিচিকিৎসক অখিল তালুকদার বলেন, রনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
জয়শ্রী ইউনিয়নের বানারসীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শুক্কুর আলী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের একটি গ্রাম থেকে একটি স্মার্টফোন চুরির পর সেটি বিক্রির চেষ্টা করেন রনি। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন শুক্রবার বিকেলে তাঁর বাড়ি থেকে রনিকে আটক করেন।
তিনি আরও জানান, বিকেলে রনিকে তাঁর বাড়ির সামনে একটি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে সন্ধ্যায় এক হাতে রশি বাঁধা অবস্থায় স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ধর্মপাশা থানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নৌকাটি শেখেরগাঁও গ্রামের সামনে বরইয়া নদীতে পৌঁছালে রনি হঠাৎ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর থেকে রনি দাস পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ উল্ল্যা বলেন, ঘটনাটি তাঁর জানা আছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
দ্রষ্টব্য: অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ স্থানীয়দের বক্তব্যের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় চুরির অভিযোগে স্থানীয়দের হাতে আটক এক ব্যক্তি এক হাত বাঁধা অবস্থায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের শেখেরগাঁও গ্রামের সামনে বরইয়া নদীতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির নাম রনি দাস (৩০)। তিনি উপজেলার সানবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রনি দাসের বিরুদ্ধে এলাকায় গরু, স্বর্ণালংকার, মুঠোফোনসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এছাড়া তিনি মাদকাসক্ত বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
সানবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা পল্লিচিকিৎসক অখিল তালুকদার বলেন, রনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
জয়শ্রী ইউনিয়নের বানারসীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শুক্কুর আলী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের একটি গ্রাম থেকে একটি স্মার্টফোন চুরির পর সেটি বিক্রির চেষ্টা করেন রনি। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন শুক্রবার বিকেলে তাঁর বাড়ি থেকে রনিকে আটক করেন।
তিনি আরও জানান, বিকেলে রনিকে তাঁর বাড়ির সামনে একটি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে সন্ধ্যায় এক হাতে রশি বাঁধা অবস্থায় স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ধর্মপাশা থানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নৌকাটি শেখেরগাঁও গ্রামের সামনে বরইয়া নদীতে পৌঁছালে রনি হঠাৎ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর থেকে রনি দাস পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ উল্ল্যা বলেন, ঘটনাটি তাঁর জানা আছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
দ্রষ্টব্য: অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ স্থানীয়দের বক্তব্যের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন।

আপনার মতামত লিখুন