সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় গাঁজা সেবনের অপরাধে আব্দুল মুন্নাফ (১৯) নামে এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা সদরের হলিদাকান্দা পূর্বপাড়া গ্রামে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পরে গাঁজা সেবনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মুন্নাফ ওই গ্রামের মৃত রবিউল আউয়ালের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন মুন্নাফ। নেশার টাকা জোগাড় করতে তিনি প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন। টাকা না পেলে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন এবং একাধিকবার নিজের মাকেও শারীরিকভাবে আঘাত করেন। এছাড়া পরিবারের আয়-রোজগারে তার কোনো ধরনের অংশগ্রহণ ছিল না।
স্থানীয়রা জানান, মাদকাসক্তির কারণে তার আচরণ দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রশাসনের নজরে আসে এবং পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তাকে দণ্ড প্রদান করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় গাঁজা সেবনের অপরাধে আব্দুল মুন্নাফ (১৯) নামে এক যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা সদরের হলিদাকান্দা পূর্বপাড়া গ্রামে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পরে গাঁজা সেবনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মুন্নাফ ওই গ্রামের মৃত রবিউল আউয়ালের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন মুন্নাফ। নেশার টাকা জোগাড় করতে তিনি প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন। টাকা না পেলে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন এবং একাধিকবার নিজের মাকেও শারীরিকভাবে আঘাত করেন। এছাড়া পরিবারের আয়-রোজগারে তার কোনো ধরনের অংশগ্রহণ ছিল না।
স্থানীয়রা জানান, মাদকাসক্তির কারণে তার আচরণ দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রশাসনের নজরে আসে এবং পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তাকে দণ্ড প্রদান করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন